অাজ সাত বছর পর সেই পুরনো কটেজ টাই যাচ্ছি, বিয়ের অাগে বহুবার এসেছি অাবিরের সাথে, বিয়ের এক বছরের মাথায় একবার এসেছিলাম সেবার হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পরি।
অামার অার অাবিরের বিয়ে প্রেম করে বিয়ে, দুই পরিবারের সম্মতিতেই অামাদের বিয়ে হয়।
সেই কলেজ জীবন থেকে অামাদের প্রেমের শুরু বলা যায় অারো অাগে থেকেই। সম্পর্কে অাবির অামার ফুপাতো ভাই অার অামি ওর মামাতো বোন।
অাবির অামাকে রোজ রোজই প্রপোজ করতো, অামি অামলে নিতাম না। কিন্তু কলেজে উঠার পর থেকেই কেন যানি অাবির কে অন্য রকম ভাল লাগতে শুরু করে। ওর পাগলামী গুলো মনে পরলে এখনো মাঝে মাঝে একা একা হাসি।
কত সুন্দরই না ছিল অামাদের ভালবাসার সময় গুলো।
বিয়ে করার জন্য সে কি কাণ্ড টাই না করলো অাবির। অামার লেখা পড়া শেষ হতেই। সে বাড়িতে তার মা, বাবাকে যানিয়ে দিলো সে অামাকে বিয়ে করবে।
বিয়ে করার জন্য সে কি কাণ্ড টাই না করলো অাবির। অামার লেখা পড়া শেষ হতেই। সে বাড়িতে তার মা, বাবাকে যানিয়ে দিলো সে অামাকে বিয়ে করবে।
অথচ তখনো অাবির বেকার। তার যন্তনায় অতিষ্ঠ হয়ে। অবশেষে অামাদের বিয়ে দিতে বাধ্যই হলেন সবাই।
অাজ সাত বছরেও একটুও কমেনি অাবিরের ভালবাসা, বিয়ের পর ব্যাবসা শুরু করে অাবির, অাস্তে অাস্তে এই সাত বছরে সে হয়ে উঠেছে সফল ব্যাবসায়ী। তবুও কখনো অামাকে ব্যস্ততার অজুহাত দেখায় নি।
এই সাত বছরে যখন যেখানে যেতে চেয়েছি নিয়ে গিয়েছে, অনেক ভালবাসে অাবির, বিয়ের পর যখন এখানে অাসি হঠাৎ করেই মাথা ঘুরিয়ে পরে যাই।
সে কি অসহায়ের মত কান্না, সুমি সুমি করে চিৎকার করে পুরো হাসপাতাল মাথায় তুলে নেয় অাবির। প্রায় ১০দিন পর হাসপাতাল থেকে যখন বাড়ি ফিরি ও এক মাসের মত অফিসে যায় নি সব ব্যাবসার কাজ বাসায় বসেই করেছে।
সে কি অসহায়ের মত কান্না, সুমি সুমি করে চিৎকার করে পুরো হাসপাতাল মাথায় তুলে নেয় অাবির। প্রায় ১০দিন পর হাসপাতাল থেকে যখন বাড়ি ফিরি ও এক মাসের মত অফিসে যায় নি সব ব্যাবসার কাজ বাসায় বসেই করেছে।
অাবিরের প্রতি দিন দিন অামার শ্রদ্ধা বেরেই চলছে। সাত বছরে এতো সুখের মাঝেও একটাই কষ্ট লুকিয়ে অাসে অামাদের দুজনের মনের মাঝে। এখনো অামরা সন্তানের মা,বাবা হতে পারিনি।
দেশ বিদেশের অনেক জায়গায় ডাক্তার দেখিয়েছি। কিন্তু কোন সমস্যা ধরা পরেনি কারো। তবুও কেন যানি অামি এখনো মা হবার স্বাদ টা পেলাম না। এই শুন্যতার যে কি কষ্ট কাউকে বুঝানো যায় না, একটা নারীর জন্য মা ডাকটা শোনা কত প্রয়োজন তা শুধু একটা নারীই জানে। অাবিরের এ নিয়ে কোন দুঃখ নেই। কারণ সে অামাকে অনেক ভালবাসে।
অাজ অামি একাই যাচ্ছি কটেজে। অাবির ব্যাবসার কাজে সিংগাপুর গিয়েছে কাল সকালে সরাসরি এখানেই অাসবে।
তারপর কিছুদিন এখানে থেকে চলে যাবো দুজনে এক সাথে ঢাকায়। ভাবতে ভাবতেই গাড়ি চলে এলো কটেজের সামনে।
কটেজ দেখা শুনা করেন রহীম চাচা, অামাকে দেখেই সালাম দিয়ে ব্যাগ নিয়ে ঘরে রেখে দিলো। এখানে চাচা একাই থাকেন। মাঝে মাঝে অাবির অাসে।অাবিরের বাবা, মা অাত্বীয় সজন রা ঘুরতে অাসেন।
বাকি সময় ফাঁকাই থাকে রহিম চাচাই পুরোটাই দেখা শোনা করেন। দুপুরে খাবার খেয়ে রেস্ট নিয়ে সন্ধ্যার অাগে অাগে বাগানে ঘুরতে বের হলাম। কত সুন্দর ফুল ফুটে অাসে বাগানে।
অাবির কল দিলো, কি করছে কেমন লাগছে কটেজে অনেক সময় কথা বলে। ফোন রেখে হাটছি হঠাৎ অনুভব করলাম কেউ অামার শাড়ির অাচঁলে টেনে ধরছে। গুরে দাড়াতেই দেখি..
.
.
.
ফুট ফুটে একটা ৪-৫ বছরের ছেলে অামার শাড়ীর অাচঁলে ধরে রেখেছে। অামি চমকে উঠি এই খানে এই সময় এ বাচ্চা কোথায় থেকে এলো
.
.
.
ফুট ফুটে একটা ৪-৫ বছরের ছেলে অামার শাড়ীর অাচঁলে ধরে রেখেছে। অামি চমকে উঠি এই খানে এই সময় এ বাচ্চা কোথায় থেকে এলো
চলবে....


comment 0 Comments
more_vert